পিতা পুত্রকে!

পুতের প্রতি একজন পিতার স্নেহ কেমন? নূহ আ. সাড়ে নয়শত বছর দাওয়াতী কাজ করেছেন। অল্পকিছু মানুষ ঈমান এনেছিল। নিজের সন্তানও ছিল কাফেরের দলে। ছেলের বয়েসও নিশ্চয়ই কমছে কম হাজার বছর ছিল। ঘরের মানুষ হয়েও এতদিন বাবার প্রতি ঈমান আনেনি। অবাধ্যতা আর মিথ্যাচারের মাঝেই ডুবে ছিল। তারপরও বাবার মমতা কমেনি। পুত্রের জন্যে কল্যাণকামনায় এতটুকু ঘাটতি আসেনি। আসমানী আযাব এসেছে। বাবা জাহাজে উঠে গেছেন। ছেলেকে কাফেরদের দলে দেখে, বাবার মন স্নেহসিক্ত হয়ে পড়ল।
يَا بُنَيَّ ارْكَب مَّعَنَا বাবা রে, আয় আমাদের সাথে আরোহণ কর (হুদ ৪২)।
.
নবীগন শুধু সন্তান নয়, প্রতিটি উম্মতের হেদায়াতের জন্যেই এমন ব্যাকুল হয়ে থাকেন। সন্তান শত অন্যায় করলেও, বাবার উচিত তাকে বুঝিয়ে শুনিয়ে সংশোধন করার প্রয়াস চালিয়ে যাওয়া। আন্তরিকতা দিয়ে তাকে বুঝিয়ে যাওয়া। রাগ করে ত্যাজ্যপুত্র করা, ঘরছাড়া করা বোধ হয় ঠিক নয়।
(লেখকঃ আতিকুল্লাহ)

Leave a Reply